এবার কোহলির শূন্য, তবু বেঙ্গালুরুর জয়

১৮২ রানের লক্ষ্য। প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। নাই মু্ম্বাইয়ে মঙ্গলবার সেই লক্ষ্য তাড়া করা লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস শেষ ওভারটা শুরু করল ৩১ রানের প্রয়োজন নিয়ে। যার অর্থ ওয়াইড-নো না হলে ম্যাচ জিততে ছয় বলে ছয় ছক্কা মারতেই হবে। অবিশ্বাস্য কিছু দেখার জন্য যারা নড়চড়ে বসেছিলেন, তাঁদের হতাশই হতে হলো। আইপিএলের নবাগত দল লক্ষ্ণৌ যে মারতে পারল মোটে দুটি ছক্কা। সেই ছক্কা দুটি এল আবার ওভারের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বলে। ম্যাচ জয়ের সমীকরণ নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার পর পঞ্চম বলেও হাঁকাতে গিয়ে ডিপ ফাইন লেগে হোল্ডার দিয়ে বিদায় নিলেন। শেষ বলে কোনো রান এল না। ৮ উইকেটে ১৬৩ রান তুলে ১৮ রানে হারল লক্ষ্ণৌ।

আর এই জয়ে সাত ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল বেঙ্গালুরু। ছয় ম্যাচে সমান ১০ পয়েন্ট নিয়েও নেট রান রেটের হিসেবে শীর্ষে আছে গুজরাট টাইটানস।

ফাফ ডু প্লেসির বেঙ্গালুরু টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে করেছিল ৬ উইকেটে ১৮১ রান। দলের রানের অর্ধেকেরও বেশি একাই করেছেন অধিনায়ক ডু প্লেসি। সেই রানও কী পরিস্থিতিতেই না পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান! ইনিংসের প্রথম ওভার শেষ না হতেই নেই ২ উইকেট, স্কোর বোর্ডে রান মোটে ৭। ফিরে যাওয়া দুই ব্যাটসম্যানের নাম অনুজ রাওয়াত ও বিরাট কোহলি। অনুজ এক বাউন্ডারিতে ৪ রান করে ফিরে যাওয়ার পর নেমেই প্রথম বলে আউট ফর্ম হারিয়ে ফেলা কোহলি। শ্রীলঙ্কান পেসার দুষ্মন্ত চামিরার বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট ক্যাচ তুলে ফিরেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

সেখান থেকে লক্ষ্ণৌর বিপক্ষে বেঙ্গালুরু ১৮১ রান পর্যন্ত গেছে ফাফ ডু প্লেসির ৬৪ বলে ৯৬ রানের ইনিংসে। ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে ১ বল বাকি থাকতে আউট হয়েছেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক, ১১টি চারের সঙ্গে মেরেছেন ২টি ছয়। চারে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ১১ বলে ২৩ রান করেই থামেন। ডু প্লেসি এরপর শাহবাজ আহমেদকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ৪৮ বলে যোগ করেন ৭০ রান। ২২ বলে ২৬ রান করে ফিরেছেন শাহবাজ, ৮ বলে অপরাজিত ১৩ রান করেছেন দীনেশ কার্তিক। দুষ্মন্ত চামিরা ও জেসন হোল্ডার নিয়েছেন ২টি করে উইকেট

রান তাড়ায় ৫ ওভারে ৩৩ রান তুলতেই ২ উইকেট হারায় লক্ষ্ণৌ। প্রয়োজনীয় রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে ব্যর্থ দলটির হয়ে ২৮ বলে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০ রান অধিনায়ক লোকেশ রাহুলের। আগের ম্যাচে শতক পাওয়া রাহুল এই রান করতে খেলেছেন ২৪ বল।

বেঙ্গালুরুর অস্ট্রেলীয় পেসার জশ হ্যাজলউড ২৫ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তবে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ডু প্লেসিই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.